মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ধর্ম সাগর

 

ধর্মসাগরের ইতিকথা

 

ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য ১৪৫৮ সালে এই দীঘিটি খনন করেন।

“রাজমালা” গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)। কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য খনঙ্কৃত এই দীঘিটি উৎসর্গের সময় যে তাম্রলিপি প্রদত্ত হয় তা নিম্নরূপঃ-

॥তাম্রলিপি পাঠ ॥

 

“চন্দ্রবংশেতে মহামণিক্য নৃপবর।
তানপুরে শ্রী ধর্মমাণিক্য শশধর।
তেরশ আশি শকে সোমবার দিনে।
শুক্লপক্ষ ত্রয়োদশী মেষ সংক্রমণে।
তাম্রপত্রে লিখি দিল এসব বচন।
আমা বংশ মারি যে বা হয়তো রাজন।
তাহার দাসের দাস হইবেক আমি।
আমা কীর্তি ব্রক্ষ্মবৃত্তি না লঙ্ঘিও তুমি।“


-রাজমালা, দ্বিতীয় লহর, ৩য় পৃঃ

॥তাম্রলিপির মর্ম ॥

 

চন্দ্র বংশোদ্ভব মহামাণিক্যের
সুধীপুত্র শশধর সদৃশ শ্রী শ্রী
ধর্মমাণিক্য ১৩৮০ মেষ সংক্রমণে
(চৈত্র মাসের শেষ তারিখে)সোমবার
শুক্লাত্রয়োদশী তিথিতে কৌতুকাদি
তাষ্ট বিপ্রকে শষ্য-সমন্বিত ফল ও
বৃক্ষাদিপূর্ণ ঊনত্রিশ দ্রোণভূমি দান
করিলেন। আমার বংশ বিলুপ্ত হইলে
যদি এই রাজ্য অন্য কোন ভূপতির
হস্তগত হয়, তিনি এই ব্রক্ষ্মবৃত্তি লোপ
না করিলে

 

বর্তমানে ধর্মসাগরের আয়তন ২৩:১৮ একর। ১৯৬৪ সালে দীঘিটির পশ্চিম ও উত্তর পাড়টি তদানিন্তন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব সৈয়দহাসান আহমদের উদ্যোগে পাকা করা হয়। দীঘিটি বর্তমানে মৎস বিভাগের অধীন। তবে দীঘির পশ্চিম পাড় ও সংলগ্ন ৫ একরের উদ্যানটি কুমিল্লা পৌরসভার ।